📝 অনুচ্ছেদ পূরণ কুইজ (Fill in the Blanks Dropdown)
নিচের অনুচ্ছেদটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং প্রতিটি শূন্যস্থানের ড্রপডাউন মেনু থেকে সঠিক তথ্যটি নির্বাচন করুন। শেষে উত্তর যাচাই করুন।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নিদর্শন হলো চর্যাপদ। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এই পুঁজিটি আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদের ভাষারূপ নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ -এ বৈজ্ঞানিক আলোচনার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত বাংলা। এই পদগুলো মূলত সাধন সংগীত। সাহিত্যিক মূল্যের পাশাপাশি তৎকালীন বাংলার সামাজিক জীবনের প্রতিফলন হিসেবে এর গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যাকরণগত দিক থেকে বিচার করলে, চর্যাপদের ভাষা মূলত একপ্রকার আদিম বাংলা, যাকে গবেষকগণ নামে অভিহিত করেছেন। এই গ্রন্থে সর্বমোট সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে সর্বাধিক পদ রচনা করেছেন বিখ্যাত পদকর্তা । তিনি একাই ১৩টি পদ রচনা করেন।
